অনিক আর তানভীর আমার খুব আদরের ছোট দুটি ভাই। অনিকের বয়স ১৩ আর তানভীরের বয়স ৫ বছর। আজ বিকেলে ওরা আমার কাছে এসে বায়না ধরলো ক্যাটবেরি খাবে।আমার কাছে ওদের সব বায়না মঞ্জুর। তাই ওরা ছোট-বড় সব বায়না আমার কাছেই করে। যাহোক, বাসার কাছেই দোকান; তাই অনিককে কিছু টাকা দিয়ে বললাম-যা তোদের যা খুশি কিনে নিয়ে আয়। ওরা চলে গেল। একটু পরে ওরা ছুটতে ছুটতে এসে আমাকে বলল- আপুনি, দেখো আমরা কি আনছি!
আমরা পতাকা কিনে আনছি। তাড়াতাড়ি চলো, ছাদে যেয়ে এটাকে এখনই উড়াতে হবে। আমি বললাম-সেটা ঠিক আছে, কিন্তু তোরা তো চকলেট আনতে গিয়েছিলি, চকলেট আনিস নি? ওরা বলল না আমরা চকলেট খাবো না; তাড়াতাড়ি চলো পতাকা উড়াবো। তখন ঘড়িতে ৫টা ৮ বাজে, এখন খুব তাড়াতাড়ি সন্ধ্যা হয় আর আযানও দিয়ে দেয়। তাই ওদের বললাম- কাল সকালে পতাকা বেঁধে দেবো। কিন্তু ওরা নাছোড়বান্দা। তাই বাধ্য হয়ে ছাদে গেলাম। পতাকাটা একটা রডের সাথে বাধলাম। পতাকাটা উড়তে দেখে তানু লাফাতে লাগলো আর জোরে জোরে স্লোগান দিতে লাগলো-"জয় বাংলা"(টিভি দেখে শিখছে) ওর সাথে সাথে অনিকও স্লোগান দিতে লাগলো। এই সময়টাতে আমাদের এলাকাটা নিরব থাকে। এমনিতেই চারদিক নিরব, হালকা বাতাস হচ্ছে আর ওদের স্লোগান আশে পাশের বিল্ডিংয়ে প্রতিফলিত হয়ে মনে হচ্ছিলো হাজার কণ্ঠ একসাথে স্লোগান দিচ্ছে। তখন যে পরিবেশটা কেমন ছিল সেটা আমি বুঝাতে পারবো না। আর আমার কাছে যে কেমন লাগছিলো সেটাও আমি বোঝাতে পারবো না। আমার ভাই দুটি এমন ভাবে স্লোগান দিচ্ছিল মনে হচ্ছিলো ওরা মনে হয় ৭১ এ ফিরে গেছে। খুব গর্ব হতে লাগলো ওদের জন্য- ওরাও তাহলে এইটুকু বয়সে স্বাধীনতার চেতনাকে ধারন করতে পেরেছে।
যাহোক, এবার মূল কথায় আসি;দুঃখিত, অনেক অপ্রাসঙ্গিক কথা বলে ফেলেছি।আমার খুব অবাক লাগে একটা জিনিস দেখে, যে কাদেরসহ সকল রাজাকারদের শাস্তি ঘোষণা করার পর কিছু কিছু উকিল আর চামচা আছে যারা একেবেরে বিক্ষোভে ফেটে পরে। এরা স্লোগান দেয়- জ্বালিয়ে দেও,পুড়িয়ে দেও বলে। এরা কি? আমার মনে হয়- এরা হল একেকটা পাকি জারজ। তা না হলে এই কুখ্যাত রাজাকাদের জন্য এরা কি জ্বালিয়ে দিতে চায়!!! নিশ্চয়ই আমাদের এই দেশ!! আর ওরা সেটাই করছে। একদল জারজ উকিল কেবল আদালতে ছুতা খুঁজে ঐ হারামিদের বাঁচানোর জন্য, আরেকদল জারজ রাস্তায় কুকুরের মতো লাফালাফি করে। আর আরেকদল পাক-বিদেশী জারজ বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র করে। আরে, তোদের কোন ষড়যন্ত্রই আর কাজে লাগবে না। তোরা যতো পারিস ঘেউ ঘেউ কর। বাংলা আমাদের রক্তে মিশে গেছে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এটা মিশতেই থাকবেই;তোরা এটা রুখতে পারবি না। মুজিবকে শেষ করে ভেবেছিলি এই দেশকে বাংলাস্থান বানাবি। পারবি না! কারন দেশের হাল ধরেছে এখন মুজিবকন্যা। আর তিনি তোদের সমূলে উৎপাটন করবে, মনে রাখিস। আর তার প্রথম পদক্ষেপ তো দেখলিই। কতো কিছু করলি ঠেকাইতে পারলি না।
আমরা পতাকা কিনে আনছি। তাড়াতাড়ি চলো, ছাদে যেয়ে এটাকে এখনই উড়াতে হবে। আমি বললাম-সেটা ঠিক আছে, কিন্তু তোরা তো চকলেট আনতে গিয়েছিলি, চকলেট আনিস নি? ওরা বলল না আমরা চকলেট খাবো না; তাড়াতাড়ি চলো পতাকা উড়াবো। তখন ঘড়িতে ৫টা ৮ বাজে, এখন খুব তাড়াতাড়ি সন্ধ্যা হয় আর আযানও দিয়ে দেয়। তাই ওদের বললাম- কাল সকালে পতাকা বেঁধে দেবো। কিন্তু ওরা নাছোড়বান্দা। তাই বাধ্য হয়ে ছাদে গেলাম। পতাকাটা একটা রডের সাথে বাধলাম। পতাকাটা উড়তে দেখে তানু লাফাতে লাগলো আর জোরে জোরে স্লোগান দিতে লাগলো-"জয় বাংলা"(টিভি দেখে শিখছে) ওর সাথে সাথে অনিকও স্লোগান দিতে লাগলো। এই সময়টাতে আমাদের এলাকাটা নিরব থাকে। এমনিতেই চারদিক নিরব, হালকা বাতাস হচ্ছে আর ওদের স্লোগান আশে পাশের বিল্ডিংয়ে প্রতিফলিত হয়ে মনে হচ্ছিলো হাজার কণ্ঠ একসাথে স্লোগান দিচ্ছে। তখন যে পরিবেশটা কেমন ছিল সেটা আমি বুঝাতে পারবো না। আর আমার কাছে যে কেমন লাগছিলো সেটাও আমি বোঝাতে পারবো না। আমার ভাই দুটি এমন ভাবে স্লোগান দিচ্ছিল মনে হচ্ছিলো ওরা মনে হয় ৭১ এ ফিরে গেছে। খুব গর্ব হতে লাগলো ওদের জন্য- ওরাও তাহলে এইটুকু বয়সে স্বাধীনতার চেতনাকে ধারন করতে পেরেছে।
যাহোক, এবার মূল কথায় আসি;দুঃখিত, অনেক অপ্রাসঙ্গিক কথা বলে ফেলেছি।আমার খুব অবাক লাগে একটা জিনিস দেখে, যে কাদেরসহ সকল রাজাকারদের শাস্তি ঘোষণা করার পর কিছু কিছু উকিল আর চামচা আছে যারা একেবেরে বিক্ষোভে ফেটে পরে। এরা স্লোগান দেয়- জ্বালিয়ে দেও,পুড়িয়ে দেও বলে। এরা কি? আমার মনে হয়- এরা হল একেকটা পাকি জারজ। তা না হলে এই কুখ্যাত রাজাকাদের জন্য এরা কি জ্বালিয়ে দিতে চায়!!! নিশ্চয়ই আমাদের এই দেশ!! আর ওরা সেটাই করছে। একদল জারজ উকিল কেবল আদালতে ছুতা খুঁজে ঐ হারামিদের বাঁচানোর জন্য, আরেকদল জারজ রাস্তায় কুকুরের মতো লাফালাফি করে। আর আরেকদল পাক-বিদেশী জারজ বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র করে। আরে, তোদের কোন ষড়যন্ত্রই আর কাজে লাগবে না। তোরা যতো পারিস ঘেউ ঘেউ কর। বাংলা আমাদের রক্তে মিশে গেছে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এটা মিশতেই থাকবেই;তোরা এটা রুখতে পারবি না। মুজিবকে শেষ করে ভেবেছিলি এই দেশকে বাংলাস্থান বানাবি। পারবি না! কারন দেশের হাল ধরেছে এখন মুজিবকন্যা। আর তিনি তোদের সমূলে উৎপাটন করবে, মনে রাখিস। আর তার প্রথম পদক্ষেপ তো দেখলিই। কতো কিছু করলি ঠেকাইতে পারলি না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন